পোস্টগুলি
Imported post: Facebook Post: 2023-08-06T00:37:31
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-08-04T20:32:41
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-08-04T16:44:20
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-08-04T16:42:46
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-08-06T00:37:55
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-29T19:02:52
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-29T18:15:02
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-29T17:53:03
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-29T04:47:04
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-28T20:26:02
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-28T17:59:16
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
কীভাবে নবীর উম্মত নবী (সাঃ) এর সন্তানকে হত্যা করলো এ জিজ্ঞাসা সবযুগের প্রতিটি বিবেকবান মানুষের। আর এ ধরনের প্রশ্ন জাগাটাও খুব স্বাভাবিক। কেননা,ইমাম হোসাইনের (আঃ) মর্মান্তিক শাহাদাত এক বিষাদময় ঘটনা কিংবা আল্লাহর পথে চরম আত্মত্যাগের এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্তই শুধু নয়,এ ঘটনাকে বিশ্লেষণ করলে বড়ই অদ্ভুত মনে হবে। রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর তিরোধানের মাত্র ৫০ বছর অতিক্রান্ত হতে না হতেই এ হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। আর এ হত্যাকাণ্ডের নায়ক ছিল স্বয়ং রাসূলুল্লাহর (সাঃ) উম্মত যারা রাসূল এবং তার বংশকে ভালবাসে বলে ইতোমধ্যেই খ্যাতিলাভ করেছিল। তাও আবার রাসূলের (সাঃ) সেইসব শত্রুদের পতাকাতলে দাড়িয়ে মুসলমানরা রাসূলের (সাঃ) সন্তানের উপর এ হত্যাকাণ্ড চালায় যাদের সাথে কি-না রাসূলুল্লাহ (সাঃ)র তিন-চার বছর আগ পর্যন্ত ও অব্যাহতভাবে যুদ্ধ করে গেছেন!মক্কা বিজয়ের পর যখন চারদিকে ইসলামের জয়জয়কার তখন ইসলামের ঐ চির শত্রুরাও বাধ্য হয়েই নিজেদের গায়ে ইসলামের একটা লেবেল লাগিয়ে নেয়। তাই বলে ইসলামের সাথে তাদের শত্রুতার কোনো কমিত ঘটেনি। এ প্রসঙ্গে হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসিরের উক্তিটি সুপ্রযোজ্য । তিনি বলেছিলেন-استسلموا و لم یسلموا“তারা মুসলমান হয়নি,ইসলাম গ্রহনের ভান করেছিল মাত্র।” আবু সুফিয়ান প্রায় ২০ বছর যাবত রাসূলুল্লাহর (সা.) সাথে যুদ্ধ করে। শুধু তাই নয়,শেষের দিকে ৫/৬ বছর সে ইসলামের বিরুদ্ধে সংগ্রামে এবং ফেতনা সৃষ্টিতে সরদারের ভূমিকা পালন করে।মোয়াবিয়া তার পিতার কাধে কাধ মিলিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে শত্রুতায় নামে। এভাবে আবু সুফিয়ানের দল অর্থাৎ উমাইয়ারা ইসলামের চরমতম শত্রুতে পরিণত হয়। অথচ আমরা অত্যন্ত আশ্চর্য়ের সাথে প্রত্যক্ষ করি যে,রাসূলুল্লাহর (সাঃ) ওফাতের মাত্র দশবছর পরে সেই মোয়াবিয়া এসে ইসলামী শাসনযন্ত্রের শীর্ষে আরোহণ করে শাম বা সিরিয়ার গভর্ণর হয়ে বসে। আরও বিশবছর পরে ইসলামের এই শত্রু হয়ে বসলো স্বয়ং মুসলমানদের খলীফা! এখানেই শেষ নয়,রাসূলের (সাঃ) মৃত্যুর পর পঞ্চাশ বছর পর এবার মুসলমানদের খলীফা হল মোয়াবিয়া-পুত্র ইয়াযিদ। আর এই ইয়াযিদ নামায,রোযা,হজ্ব যাকাত তথা ইসলামের বিধি-বিধান পালনকারী মুসলমানদেরকে সাথে নিয়ে অর্ধশতাব্দী গড়াতে না গড়াতেই রাসূলের (সাঃ) সন্তানকে হত্যা করলো। এসব নিয়ে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে মাথা বিগড়ে গেলেও ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করার উপায় নেই। ঐ সব মুসলমানরা যে ইসলামকে পরিত্যাগ করেছিল তা নয়,বরং ইমাম হোসাইনের (আঃ) প্রতি তাদের ভক্তির অভাব ছিল তারও কোনো প্রমাণ মেলে না। কারণ,ইমাম হোসাইনের (আঃ) প্রতি বীতশ্রদ্ধ হলে তারা হয়তো বলতে পারতো যে,(নাউযুবিল্লাহ) ইমাম হোসাইন (আঃ) ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে গেছেন। সুতরাং তাকে হত্যা করতে কোনো বাধা নেই। বরং তারা নিশ্চিতভাবে ইয়াযিদের ওপর ইমাম হোসাইনের (আঃ) সহস্র গুণে শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদায় বিশ্বাস করতো। তাহলে এখন প্রশ্ন হল যে,প্রথমতঃ কিভাবে মুসলিম শাসন ক্ষমতা ইসলামের ঘোরশত্রু আবু সুফিয়ানের দলের হাতে পড়েলা? দ্বিতীয়তঃ যে মুসলমানরা ইমাম হোসাইনের (আঃ) রক্তের মূল্য যথার্থভাবে অবগত ছিল তারা কিভাবে ইমাম হোসাইনকে (আঃ) হত্যা করলো?চলবেলানাতুল্লাহি আলাল কাজেবিননিবেদক মোঃ রাকিব হোসেন
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=697474038335900&id=100042199309276
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-08-03T07:31:00
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-08-02T20:19:57
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-31T21:05:14
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-30T14:04:49
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
Imported post: Facebook Post: 2023-07-29T22:34:47
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
‘ইহ্তিজাজ’ নামক গ্রন্থে আল্লামা তাবারসী বর্ণনা করেছেন,যখন জনগণ ইমাম আলীর হাতে বাইআত করল তখন তিনি ইমাম হাসানকে বলেছিলেন,“দাঁড়িয়ে জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দাও যাতে কুরাইশগণ আমার পরে তোমাকে ভুলে না যায়।”ইমাম হাসান (আ.) মিম্বরে দাঁড়িয়ে মহান আল্লাহর প্রশংসা করার পর বলেছিলেন,“হে লোকসকল! আমার নানা রাসূলুল্লাহ্ (সা.)-কে বলতে শুনেছি : আমি জ্ঞানের নগরী এবং আলী তার দরজা। তাই কেবল দরজা ব্যতীত কি নগরীতে প্রবেশ করা সম্ভব?”হযরত আলী (আ.) তখন ইমাম হাসানকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। এরপর তিনি ইমাম হুসাইনের দিকে তাকিয়ে বললেন,“বৎস! তুমিও উঠে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা কর যাতে করে কুরাইশরা আমার পরে তোমাকে ভুলে না যায়। আর তোমাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে,তোমার বক্তব্যও যেন তোমার ভাইয়ের বক্তব্যের অনুগামী হয়।”এ কথা শুনে ইমাম হুসাইন (আ.) মিম্বরে দণ্ডায়মান হয়ে মহান আল্লাহর প্রশংসা এবং মহানবী (সা.) ও তাঁর পবিত্র বংশধরদের ওপর দরুদ প্রেরণ করার পর বললেন,معاش الناس سمعت رسول الله (ص) و هو یقول: إنّ علیّا هو مدینة هدی، فمن دخلها نجی و من تخلّف عنها هلك“হে লোকসকল! আমি মহানবী (সা.)-কে বলতে শুনেছি : নিশ্চয়ই আলীই হিদায়েতের নগরী;যে কেউ তাতে প্রবেশ করবে তারাই সফলকাম হবে। আর যারা এ থেকে দূরে থাকবে (অর্থাৎ হেদায়েতের নগরীতে প্রবেশ করবে না) তারা ধ্বংস হবে।”তখন হযরত আলী (আ.) উঠে দাঁড়িয়ে ইমাম হুসাইনকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। এরপর তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বললেন,معاش النّاس اشهدوا أنّها فرخا رسول الله و ودیعته الّتی استودعهما و أنا أستودعکموا هما، معاش النّاس و رسول الله سائلکم عنها “হে লোকসকল! তোমরা সাক্ষী থেকো যে,এরা দু’জন রাসূলুল্লাহর সন্তান এবং তাঁর আমানত যা তিনি তোমাদের কাছে রেখে গেছেন। আর আমিও তাদের দু’জনকে তোমাদের কাছে আমানতস্বরূপ রাখছি। হে লোকসকল! মহানবী তোমাদের সবাইকে এদের দু’জনের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন।”
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ